Sunday, December 15, 2013
Bangladeshi Traditional Jilapi Recipe
Friday, December 13, 2013
শিবগন্জের বিখ্যাত আদি চমচম
শিবগন্জের বিখ্যাত আদি চমচম
Wednesday, December 11, 2013
তিন মিনিটেই শিখে ফেলুন-বাংলাদেশী চমচম
তিন মিনিটেই শিখে ফেলুন-বাংলাদেশী চমচম
Tuesday, December 10, 2013
নড়াইলের মিষ্টির খ্যাতি দেশ ছাড়িয়ে এখন বিদেশে
নড়াইলের মিষ্টির খ্যাতি দেশ ছাড়িয়ে এখন বিদেশে

নড়াইলের মিষ্টির খ্যাতি দেশ পেরিয়ে এখন বিদেশ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ‘রসগোল্লা’, ‘দই’ ও ‘ক্ষীরের সন্দেশ’-এর লোভনীয় স্বাদ দেশের মিষ্টিপ্রিয় মানুষকেই শুধু কাছে টানে না, কাছে টানছে বিদেশিদেরও।
জানা গেছে, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্ণীপাশার চম্পকের রসগোল্লার খ্যাতি
যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে লোহাগড়ার খেয়াঘাটের সঞ্জয়ের দোকানের ক্ষীরের
সন্দেশ ও দধির খ্যাতি। পাশাপাশি নড়াইল জেলা সদরের রূপগঞ্জ বাজারের কার্তিক
কুন্ডু এবং পরিতোষের মিষ্টি-বিশেষ করে গুড়ের সন্দেশ, প্যাড়া সন্দেশ, চমচম,
রাজভোগ, সানার জিলাপী এবং খিরচা মিষ্টির নাম মনে উঠলে মিষ্টি পিপাসুদের
জিহ্বায় জল আসে। আর বিয়ে, জন্মদিন, বৌভাতসহ বিভিন্ন আনন্দ অনুষ্ঠানে এসব
মিষ্টিই আনন্দময় মুহূর্তগুলো আরও আনন্দময় করে তোলে।
প্রবাসীরা এসব মিষ্টির স্বাদ নিতে ভুলেন না। বিদেশিরাও নড়াইলের মিষ্টির
সৃষ্টিতে তুষ্ট হন। এ জেলার পাশাপাশি গোপালগঞ্জ, যশোর, খুলনা, মাগুরা,
ঝিনাইদহসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলার মানুষ নড়াইলের রুপগঞ্জ লঞ্চঘাটের
পরিতোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার, কার্তিক কুন্ডুর মিষ্টি, নড়াইল পুরাতন ফেরিঘাটের
দই, ক্ষীরচা, চমচম, গুড়ের সন্দেহসহ বিভিন্ন প্রকার মিষ্টি কিনে নিয়ে
নতুন-পুরাতন অতিথিদের অপ্যায়ন করে থাকেন।
পরিতাষ মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী পরিতোষ কুমার ও লোহাগড়ার সঞ্জয়
কুমার জানান, গরুর খাঁটি দুধ জ্বালিয়ে তৈরি করা হয় ‘ছানা’। আর এর সঙ্গে
চিনি, এলাচ, দারুচিনি মিলিয়ে তৈরি হয় এসব মিষ্টি। প্রতিকেজি রসগোল্লা ১শ’
৫০ থেকে ১শ’ ৭০ টাকা, চমচম ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, দই ১১০ থেকে ১৩০ টাকা, ক্ষীর
ও গুড়ের সন্দেস ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, রসমালাই ৩০০ টাকা, ক্ষীরচা ৪৫০ থেকে
৫০০ টাকা পর্যন্ত টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। এসব মিষ্টির দোকানগুলোতে
অন্তত ৫০০ কারিগর রয়েছে।
সঞ্জয়’র ক্ষীরের সন্দেস কিনতে আসা লোহগড়ার আমাদা আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ আল
ফয়সাল খান ও সৌদিপ্রবাসী ফারুক হোসেন জানান, এখানকার মিষ্টির তুলনাই হয় না।
রসগোল্লা, দই, ক্ষীর ও গুড়ের সন্দেশ খেলে এক অন্যরকম তৃপ্তি পাওয়া যায়।
শুধু দেশেই নয়, নড়াইলের মিষ্টির খ্যাতি বিদেশেও রয়েছে। কালিয়ার যাদবপুরের
সিঙ্গাপুর প্রবাসী মানিক ভূঁইয়া বলেন, নড়াইলের মিষ্টি প্রবাসীসহ এখানকার
(সিঙ্গাপুর) স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
জাপান প্রবাসী লক্ষ্ণীপাশার গুল মোহাম্মদ ঠাকুর ওরফে মনি ও লোহাগড়ার মোচড়া
গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী জামাল হোসেন জানান, এসব দেশে নড়াইলের মিষ্টির
ব্যাপক কদর রয়েছে।মোচড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী জামাল ও কালিয়ার
পুরুলিয়া গ্রামের লিবিয়া প্রবাসী তৌফিক জানান, বিদেশিদের জন্য এখানকার
(নড়াইল) মিষ্টি সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিভিন্ন প্রকার সুস্বাদু মিষ্টি খেয়ে তৃপ্ত হন তারা (বিদেশিরা)। তাই,
নড়াইলের মিষ্টির খ্যাতি দিন দিন বিদেশিও ছড়িয়ে পড়ছে।সব মিলিয়ে নড়াইলে
মিষ্টি এখন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও যাচ্ছে।মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানান, সরকারি
পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বিদেশে মিষ্টি রফতানি করে এ জেলা থেকে বছরে প্রায় ৫ কোটি
টাকা বৈদেশিক রেমিটেন্স আয় সম্ভব।
প্রতিবেদনঃ সুলতান মাহমুদ
সম্পাদনাঃ মোঃ হারুন-অর-রশিদ
Source: http://jessore.info
টাঙ্গাইলের প্রসিদ্ধ চমচম
টাঙ্গাইলের
প্রসিদ্ধ চমচম

মো. রেজাউল করিম::টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম। যার নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। অতুলনীয় স্বাদ আর সুগন্ধের কারণে দেশে ব্যাপক সুনাম রয়েছে টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচমের। পোড়া ইটের মতো রঙের এই বিখ্যাত সুস্বাদু চমচমের কড়া মিষ্টির আবরণের ভিতরে রয়েছে গোলাপী আভাযুক্ত নরম অংশ। মিষ্টি জগতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ঐতিহ্যবাহী এই চমচম বৃটিশ আমল থেকে অবিভক্ত ভারতবর্ষসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে টাঙ্গাইলকে ব্যাপকভাবে পরিচিতি করেছে। অনেকের মতে, গৌড় নামের এক ব্যক্তি সর্বপ্রথম পোড়াবাড়িতে এই সুস্বাদু চমচম তৈরি ও ব্যবসা শুরু করেন।
চমচম
ব্যবসায়ী রণজিৎ ঘোষ জানান, পোড়াবাড়ির চমচমের সৃষ্টি রহস্য। টাঙ্গাইল জেলা শহর থেকে প্রায় ৪ কিলোমিটার পশ্চিমে এই পোড়াবাড়িতে এক সময় লঞ্চঘাট ছিল। বৃটিশ আমলে ধলেশ্বরী নদীর ঢালান ঘাটে ভিড়ত স্টিমার আর মালবাহী জাহাজ। ওই সময় দেশ বিদেশের মানুষ নামত পোড়াবাড়িতে। দেশ বিদেশের মানুষের আগমনে পোড়াবাড়ি ছিল জমজমাট ব্যবসা কেন্দ্র। তখন আসাম থেকে আগত দশরথ গৌড় ধলেশ্বরীর সুস্বাদু পানি ও এখানকার গাঢ় দুধ দিয়ে চমচম নামের এই মিষ্টি প্রথম তৈরি করেন। চমচমের স্বাদ মূলত পানির ওপর নির্ভরশীল। পোড়াবাড়ি পানির মধ্যে এ মিষ্টি তৈরির মূল রহস্যনিহিত।
বাংলাদেশের
অনেক জায়গায় টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ি থেকে কারিগর নিয়ে চমচম তৈরির চেষ্টা করেও কেউ সফল হতে পারেননি। অপূর্ব স্বাদের ফলে এ চমচম সারা ভারতবর্ষে সুখ্যাতি লাভ করে। পূর্বে লঞ্চ, স্টিমার করে পোড়াবাড়ির চমচম ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে যেত। প্রতিদিন ২শ’ থেকে ৩শ’ মণ চমচম তৈরি করা হতো পোড়াবাড়ির বিভিন্ন চমচম কারখানায়। যমুনার কোলে প্রবল স্রোতস্বিনী ধলেশ্বরী নদীর সুস্বাদু পানি, গাভীর ঘন দুধ ও কারিগরদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় পোড়াবাড়ির চমচম ‘মিষ্টির রাজা’ হিসেবে সুনাম অর্জন করে। ব্যাপক সাফল্যের কারণে তখন পোড়াবাড়িতে ৩৫-৪০টি চমচম তৈরির দোকান গড়ে ওঠে। চমচম তৈরির সঙ্গে যুক্ত হয় প্রায় ২ শতাধিক পরিবার। চমচমের স্রষ্টা দশরথ গৌড়ের সঙ্গে যারা ছিলেন তাদের মধ্যে রাজারাম গৌড়, নারায়ণ হালুই, মোদন গৌড়, শিব শংকর ও কুশাই দেবের নাম উল্লেখযোগ্য।
টাঙ্গাইলের
একজন প্রবীণ চমচম ব্যবসায়ী সম্ভু ঘোষ জানান, ঊনবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিক থেকেই পোড়াবাড়িতে প্রথম চমচম তৈরি শুরু হয়। এ সময় দুধ ছিল খুবই সস্তা। দুধের কোনো মাপ ছিল না। এক ঘটি দুধের দাম ছিল তিন পয়সা থেকে পাঁচ পয়সা। প্রতি সের চমচম বিক্রি হতো সাত আনা থেকে আট আনায়। চল্লিশের দশকে চমচম বিক্রি হতো ১টাকা সের। বর্তমানে ১৪০ থেকে ২৫০ টাকায় এক কেজি মিষ্টি বিক্রি করে লাভ হয় ১০ টাকা থেকে ১২ টাকা। আর তখন এক সের চমচম ৫ সিকিতে বিক্রি করে আট আনা লাভ হতো। বহু দেশবরেণ্য ব্যক্তিরা পোড়াবাড়ির চমচমের ভক্ত ছিলেন। এর মধ্যে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, জাদু সম্রাট পিসি সরকার, শেরেবাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নাম উল্লেখযোগ্য। জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নী, নবাব আলী চৌধুরী, প্রিন্সিপাল ইব্রহিম খাঁ, প্রমথ নাথ চৌধুরীসহ অনেক ব্যক্তিত্বের পদচারণায় পোড়াবাড়ি ধন্য হয়। মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী পোড়াবাড়ি মদন লালের মিষ্টি ঘরে বসতেন। চমচম নিয়ে আপ্যায়ন করতেন রাজনৈতিক শিষ্য ও ভক্তদের। ত্রিশ দশকের শেষের দিকে আসামের রামেন্দ্র ঠাকুর, তীর্থবাসী ঠাকুর টাঙ্গাইল শহরের পাঁচআনী বাজারে মিষ্টি তৈরিসহ ব্যবসা শুরু করেন। এরপর থেকে পাঁচআনী বাজার মিষ্টিপট্রি নামে পরিচিতি হয়ে আছে।
১৯৬০
সালের পর টাঙ্গাইল মহকুমার টাঙ্গাইল সদরে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটে। এ সময় ধলেশ্বরীর বুকে জেগে উঠে অসংখ্য চর। যে ধলেশ্বরী তার বুকের যৌবন সুধা ফেলে দিয়েছিল চমচমের ওপর, পরবর্তীতে গুটিয়ে নেয় তার ব্যাপ্তি। বন্ধ হয়ে যায় পোড়াবাড়ির লঞ্চ ও স্টিমার ঘাট। জনবহুল পোড়াবাড়ি এক সময় জনশূন্যে হয়ে যায়। কারিগর-শ্রমিকরা বেকার হয়ে পড়ে। তারা পরে অন্য পেশায় চলে যায়।
বর্তমানে
পোড়াবাড়ির অবস্থা করুন। নানা সমস্যায় জর্জরিত ছোট একটি বাজারে মাত্র ৪/৫টি জড়াজীর্ণ মিষ্টির দোকান ঐতিহ্যকালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তবে বাজারের আশপাশের ৬/৭টি বাড়িতে এখনো মিষ্টি তৈরি হয় এবং তারা ঢাকা, ময়মনসিংহ, যশোর, বগুড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করছে। এছাড়াও শহরের পাঁচআনী বাজারে কয়েকজন মিষ্টি ব্যবসায়ী ঢাকার শতাধিক দোকানসহ প্রায় দেশের ৫ শতাধিক মিষ্টি ব্যবসায়ীদের এই মিষ্টি সরবরাহ করে থাকে। অপরদিকে কিছু কিছু অসাধু মিষ্টি ব্যবসায়ী টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচমের নাম করে বড় বড় সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে ঢাকাসহ কয়েকটি জায়গায় মিষ্টির দোকান গড়ে তুলেছে। এসব দোকান থেকে মানুষ প্রতারিত হচ্ছে। আসল নকল চমচম চেনা বড় দায় হয়ে পড়েছে। পোড়াবাড়ির আসল চমচমের কারিগররা অর্থের অভাবে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। অন্যদিকে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে পোড়াবাড়ির নাম ভাঙিয়ে ভেজাল চমচম বিক্রি করে অনেকেই বাড়ি গাড়ির মালিক হয়েছেন। এতে পোড়াবাড়ির চমচম ঐতিহ্যবাহী গৌরব হারিয়ে ফেলছে। প্রকৃত কারিগর ও ব্যবসায়ীরা আর্থিক লাভ থেকে বঞ্চিত হয়ে এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন। টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্তদের অভিমত, এ গৌরবময় ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে হলে সরকারিভাবে কারিগরদের পৃষ্ঠপোষকতা করার পাশাপাশি ভেজাল চমচম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। ভেজাল আর নকলের ভিড়ে হয়ত আসল চমচম আর ভেসে উঠবে না। তাহলে হারিয়ে যাবে ঐতিহ্য আর গৌরব?
Source: http://ei-somoy.com
Wednesday, December 4, 2013
আলু দিয়ে তৈরি মিষ্টি খেয়েছেন কি? রইলো আলুর গোলাপজামের রেসিপি
আলু দিয়ে তৈরি মিষ্টি খেয়েছেন কি? রইলো আলুর গোলাপজামের রেসিপি
পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় সবজিটির নাম কী? নিশ্চয়ই আলুর নাম বলবেন!
হ্যা, আলুই বটে! অথচ মজার কথা কি জানেন, লোকসমাজে আসার আগে এই আলু ছিল বন্য
বাইসনদের খাদ্য। আলুর আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকা। পরে ১৬শ শতকে তা সারা
বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। সহজ চাষপদ্ধতি ও সংরক্ষণের সুবিধার কারণে আলু সারা
বিশ্বেই চাষ করা হয়।
সবজি হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। স্বাদে তো বটেই পুষ্টিগুণেও পিছিয়ে নেই
আলু। এতে রয়েছে শর্করা, আঁশ, খনিজ উপাদান, ভিটামিন ও উদ্ভিজ্জ প্রোটিন।
সারা বিশ্বে আলু বিভিন্ন ভাবে খাওয়া হয়। তরকারি, ভাজি, ভর্তা, সালাদ,
চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদি। কিন্তু আলু দিয়ে তৈরি মিষ্টি খেয়েছেন কি?
রইলো আলুর গোলাপজামের রেসিপি। একবার খেয়েই দেখুন না, ভালো না লেগে যাবেই
না!
উপকরণ :
আলু সেদ্ধ বাটা- ২ কাপ,
ময়দা- ২ কাপ,
ছানা- ৮ টেবিল চামচ,
বেকিং পাউডার- আধা চা চামচ,
ঘি- ৮ টেবিল চামচ,
এলাচ গুঁড়া- আধা চা চামচ,
ভাজার জন্য তেল- পরিমাণমতো,
চিনি- ৬ কাপ।
প্রস্তুত প্রণালী :
- -৬ কাপ চিনির সাথে ৬ কাপ পানি মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিন।
- -ময়দা পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।
- -৪ টেবিল চামচ ঘি ও ভাজার জন্য তেল বাদে বাকি সব উপকরণ একসাথে ভালো করে মেখে নিন।
- -এবার মিশ্রণটি কালোজামের আকারে গড়ে নিয়ে একটা ডিশে বিছিয়ে রাখুন।
- -কড়াইয়ে তেল ও বাকি ঘিটুকু দিন। গরম হয়ে এলে এতে গোলাপজাম গুলো হালকাভাবে ছেড়ে দিন।
- -ডুবো তেলে গোলাপজামগুলো ভেজে নিন।
- -ভাজা হয়ে গেলে সিরায় ডুবিয়ে রাখুন ঘণ্টাখানেক।
- -ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন ডিশে রেখে ওপরে মাওয়া ছিটিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।
Source: http://erapotty.com
Tuesday, December 3, 2013
রেসিপি : পাউরুটির শাহি মিষ্টি
রেসিপি : পাউরুটির শাহি মিষ্টি
রেসিপি : পাউরুটির শাহি মিষ্টি
প্রয়োজনীয় উপকরণ : দুধ (দেড় লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করতে হবে) সোয়া কাপ, ময়দা আধা কাপ, পাউরুটি তিন-চার টুকরা, সুজি সিকি কাপ, মাওয়া আধা কাপ, এলাচি গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ ১ চিমটি, চিনি সিকি কাপ, দুধের সর আধা কাপ, জাফরান আধা চা-চামচ, বাদাম/পেস্তা ১ টেবিল চামচ, গোলাপ জল ২ চা-চামচ, ঘি ৪ টেবিল চামচ, তেল ভাজার জন্য।
শিরার জন্য উপকরন : চিনি ৩
কাপ, পানি ৩ কাপ একত্রে মিশিয়ে চুলায় দিন। চিনি গলে কয়েকবার ফুটে উঠলে সিকি
চামচ জফরান ও গোলাপজল দিয়ে নামিয়ে রাখুন। শিরাটা পাতলা হবে।
প্রস্তুত প্রণালি :
বাটিতে ঘন দুধের সঙ্গে আধা চা-চামচ জাফরান মিশিয়ে তিন টুকরা পাউরুটি ছিঁড়ে
ভিজিয়ে রাখুন ঘণ্টা খানেক। অন্য পাত্রে ময়দার সঙ্গে সুজি, এলাচি গুঁড়া
(আধা চা-চামচ) ও চিনি মিশিয়ে পাউরুটির সঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড করুন। তারপর
তাতে দুধের সর, সিকি কাপ মাওয়া, আধা টেবিল চামচ বাদাম পেস্তা দিয়ে আরও
একবার ব্লেন্ড করে মিষ্টি তৈরির জন্য মসৃণ গোলা তৈরি করুন।
যে
বাটিতে মিষ্টি রাখবেন, সেটাতে অর্ধেক শিরা ঢেলে রাখুন। কড়াই বা ফ্রাইপ্যানে
ডুবোতেলে মিষ্টি ভাজার আন্দাজে তেল ও চার টেবিল চামচ ঘি গরম করে এক চামচ
করে গোলা নিয়ে মিষ্টি সোনালি রং করে ভেজে নিন। তেল ছেঁকে মিষ্টি রাখার
বাটিতে শিরায় ছেড়ে দিন। ওপর থেকে মাওয়া, বাদাম পেস্তা ও এলাচি গুঁড়া ছড়িয়ে
দিন। তিন ঘণ্টা বা চার ঘণ্টা পর পরিবেশন করুন।
Source: http://www.ehealth24.net
Subscribe to:
Posts (Atom)