Pages

Sunday, February 2, 2014

নানারকম মিষ্টির রেসিপি

নানারকম মিষ্টির রেসিপি

ক্ষীরের সন্দেশ
উপকরণ: দুধ, চিনি।
প্রণালি: দুধ ভালোভাবে জ্বাল দিতে হবে। জ্বাল দেওয়ার ফলে দুধ যখন ঘন হয়ে আসবে, তখন চিনি ঢেলে দিতে হবে। এক লিটার দুধের মধ্যে ২৫০ গ্রাম চিনি লাগবে। তারপর আস্তে আস্তে নেড়ে দুধ যখন ঘন হয়ে শক্ত হয়ে আসবে, তখন ছাঁচের মধ্যে ঢেলে ক্ষীরের সন্দেশ তৈরি করতে হবে। লক্ষ রাখতে হবে, ছাঁচের মধ্যে আগে সামান্য পরিমাণে ঘি ঢেলে নিতে হবে। তারপর ঠান্ডা হলে ছাঁচ থেকে তুলে নিতে হবে। এরপর পরিবেশন করতে হবে।


চিত্রলেখা গুহ

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, অক্টোবর ০৫, ২০১০


গুড়ের সন্দেশ
উপকরণ: ছানা আধা কেজি, খেজুরের গুড় আধা কাপ, চিনি আধা কাপ, পেস্তাবাদাম কাজুবাদাম পরিমাণমতো।
প্রণালি: গুড় ভেঙে নিয়ে, ছানা হাতের তালু দিয়ে হালকা করে মাখিয়ে নিতে হবে। কড়াইয়ে গুড় জ্বাল দিয়ে, নরম হলে ছানা দিতে হবে। এক মিনিট নেড়ে চিনি দিয়ে মৃদু আঁচে ঘন ঘন নাড়তে হবে। ছানা চটচটে হলে নামিয়ে নিতে হবে। ছানা ঠান্ডা হলে ভালো করে মথে নিতে হবে। মসৃণ হলে ১৬ ভাগ করে, সন্দেশের ছাঁচে চেপে পাত্র সাজিয়ে রাখতে হবে। পেস্তা কাজুবাদাম দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।


সিতারা ফিরদৌস

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, এপ্রিল ১৩, ২০১০


ছানার সন্দেশ
উপকরণ: ছানা এক কাপ, এলাচের গুঁড়া সামান্য, কেনডেরাল সিকি চা চামচ।
প্রণালি: ছানা ঝুরঝুরে করে মাখিয়ে তিনি-চার মিনিট বেশি জ্বালে নাড়াচাড়া করতে হবে। চুলা থেকে নামানোর আগে এলাচের গুঁড়া কেনডেরাল দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামাতে হবে।


সিতারা ফিরদ

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০১০


পাটালি গুড়ের সন্দেশ

উপকরণ: ছানা দুই কাপ, পাটালি গুড় আধা কাপ, চিনি আধা কাপ, কিশমিশ এক চা চামচ, একখণ্ড পরিষ্কার পাতলা সুতি কাপড়।
প্রণালি: ছানা হাত দিয়ে ভেঙে গুঁড়ো করে নিতে হবে। সস্প্যানে গুড় দিয়ে নাড়তে হবে। একটু নেড়ে ছানা দিন। কিছুক্ষণ পর চিনি দিন এবং মৃদু চে বারবার নাড়তে হবে। ছানার যখন পাক হবে সস্প্যান থেকে ছেড়ে আসবে। চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। মসৃণ করে মেখে মেখে ১৫ ভাগ করে গোল করুন। কাপড়খণ্ডটি পানিতে ভিজিয়ে চিপে টেবিলে বিছিয়ে দিন। তার ওপর গোল করা সন্দেশগুলো রাখুন এবং হাতের তালু দিয়ে চাপ দিন। কিছুক্ষণ পর প্রত্যেকটি সন্দেশের মাঝখানে একটি করে কিশমিশ দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার পাটালি গুড়ের সন্দেশ।
শাহানা পারভীন
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, ফেব্রুয়ারী ০৯, ২০১০


কাজু মণ্ডা
উপকরণ: ছানা কাপ, মালাই আধা কাপ, চিনি এক কাপের চার ভাগের তিন ভাগ, কাজুবাদাম বাটা আধা কাপ, কাজুবাদাম কুচি আধা কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা-চামচ।
প্রণালি: ছানা হাত দিয়ে মথে দুই ভাগ করে নিন। এক ভাগ ছানার সঙ্গে মালাই, কাজু বাটা, গুঁড়া চিনি, এলাচ গুঁড়া মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে। ছানা আঠালো হলে চুলা থেকে নামিয়ে বাকি ছানার সঙ্গে মিলিয়ে ছড়ানো প্লেটে ঢেলে ঠান্ডা করতে হবে। ছানা ঠান্ডা হলে মসৃণ করে ১২ ভাগ বা পছন্দমতো ভাগ করে কাজু কুচির পুর ভরে পছন্দমতো আকারে কেটে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

সিতারা ফিরদৌস
সূত্র: নিক প্রথম আলো, অক্টোবর ১২, ২০১০


রসগোল্লা
উপকরণ:
রসগোল্লার ছানা পরিমাণমতো
চিনি দেড় কাপ
পানি ছয় কাপ
ময়দা দুই চা চামচ
চিনি দুই চা চামচ
এলাচ গুঁড়া পৌনে এক চা চামচ
গোলাপজল এক-দুই চা চামচ

প্রণালী:
. রসগোল্লার ছানা তৈরি করে (ছানা তৈরির প্রণালী জানার জন্য রস+আলোরছানা সংখ্যাপর্যন্ত অপেক্ষা করুন) বাতাসে ছয়-সাত ঘণ্টা ছড়িয়ে রাখো।
. চিনির সঙ্গে পানি দিয়ে চুলায় দাও। ফুটে ওঠার পর সিরার ওপর থেকে ময়লা তুলে ফেলো। চুলার আঁচ কমিয়ে রাখো।
. ছানা হাতের তালু দিয়ে মথে নাও। ময়দা, দুই চা চামচ চিনি এলাচ গুঁড়া দিয়ে ছানা মথো। ছানা ২০-২৪ ভাগ করে গোল করে রাখো।
. সব ছানার বল একবারে চুলার ওপর সিরায় ছাড়ো। আঁচ বাড়িয়ে দাও। কিছুক্ষণ পর রসগোল্লা সিরার ওপর ভেসে উঠবে। বড় চামচ বা হাতা দিয়ে রসগোল্লা সিরায় ডুবিয়ে হাঁড়ি ঢেকে দেবে।
. ২০-২৫ মিনিট পর বাটিতে পানি নিয়ে একটি রসগোল্লা ছাড়ো। পানিতে রসগোল্লা ডুবে গেলে এবং আকার ঠিক থাকলে চুলা থেকে নামিয়ে এক কাপ পানি ছিটিয়ে দিয়ে খোলা রাখো।
. ঠান্ডা হলে সিরাসহ রসগোল্লা একটি বড় বোলে ঢালো। এক-দুই চা চামচ গোলাপজল দাও। সাত-আট ঘণ্টা পর রসগোল্লা পরিবেশন করো। ২০-২৪ পরিবেশন। কিশোরদের জন্য ১০-১২ পরিবেশন।



গোলাব জাম
গোলাব জাম

উপকরণ :
  1. মাওয়া ৫০০ গ্রাম, বেকিং পাউডার এক চিমটি,
  2. ছানা ২০০ গ্রাম,
  3. ময়দা ১০০ গ্রাম,
  4. এলাচ পাউডার চা চামচ,
  5. লবণ পরিমাণমতো,
  6. এক চিমটি খাবার সোডা,
  7. ভ্যানিলা এসেন্স ফোঁটা,
  8. ভাজার জন্য সাদা তেল পরিমাণমতো,
  9. সিরার জন্য ৫০০ গ্রাম,
  10. চিনি কেজি,
  11. ঘন দুধ কাপ,
  12. রোজ এসেন্স ফোঁটা।
প্রণালী :
  1. প্রথমে লিটার পানিতে সিরার উপকরণ দিয়ে জ্বাল দিন।
  2. কমে সাড়ে তিন লিটারের মতো হলে নামিয়ে রাখুন।
  3. সামান্য পানি দিয়ে বাকি সব উপকরণ মেখে ১৫ মিনিট রেখে দিন।
  4. এর থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে নিয়ে দুই হাতে তালুতে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বড় মার্বেলের আকারে বল তৈরি করুন।
  5. কড়াইতে মাখন গলিয়ে তাতে সাদা তেল গরম করুন।
  6. ঢিমে আঁচে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে কড়া বাদামি করে ভাজুন।
  7. তেল থেকে উঠিয়ে সিরায় ফেলুন। ঘন্টাতিনেক রেখে দিন।
  8. সার্ভিং ডিশে গোলাপের পাপড়ি সাজিয়ে তাতে গোলাব জামুন দিয়ে পরিবেশন করুন। 
ঘরে তৈরী রসমালাই
উপকরণঃ
  1. দুধ কাপ
  2. চিনি কাপ
  3. গুঁড়ো দুধ কাপ
  4. বেকিং পাউডার চা চামচ
  5. ডিম টা
  6. কর্নফ্লাওয়ার চা চামচ
প্রণালীঃ
  1. প্রথমে একটি হাড়িতে দুধ কাপ, চিনি পরিমান মত পানি মিশিয়ে কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে জ্বাল দিয়ে ঘন করে রাখুন।
  2. একটি বাটিতে কাপ গুঁড়ো দুধ নিয়ে সাথে বেকিং পাঊডার দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন।
  3. এবার ডিম ফেটিয়ে একটু একটু করে দিয়ে মেশান।।
  4. মেশানোর পর পছন্দমত গোল বা লম্বাটে করে ঘন দুধের মধ্যে ছাড়ুন।
  5. এবার রসমালাই সবগুলো ছাড়ার পর হালকা ভাবে নেড়ে - মিনিট পর চুলা থেকে নামান। ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।
উত্সঃ সানজিদা জামানসাপ্তাহিক ২০০০, ১৩ অক্টোবর ২০০৬

Saturday, February 1, 2014

রসগোল্লা তৈরীর সবচাইতে পারফেক্ট রেসিপি

রসগোল্লা তৈরীর সবচাইতে পারফেক্ট রেসিপি


rupcare_roshgolla1

রসগোল্লা খেতে সবাই ভালোবাসেন এটা বলাই বাহুল্য। বাঙালি মাত্রই “মিষ্টি” শুনলে সবার আগে চোখের সামনে ভেসে ওঠে রসগোল্লার চেহারা। আজকাল অনেকেই বাড়িতে রসগোল্লা তৈরি করে থাকেন, রেসিপি অনেকেই জানেন। কিন্তু একটু লক্ষ্য করে দেখুন,বাড়িতে তৈরি বেশিরভাগ রসগোল্লাই কেমন যেন চ্যাপ্টা হয়ে যায় নিখুঁত গোল না হয়ে। অনেকেরই রসগোল্লার গায়ে কেমন ফাটা ফাটা দাগ হয়,মসৃণ হয় না। অনেকেরটা খেতে স্পঞ্জ রসগোল্লার মত হয়ে যায়। সব মিলিয়ে ঠিক যেন দোকানের মতন রসগোল্লা কিছুতেই তৈরি হয় না বাড়িতে।
কিন্তু কেন? কী সেই রহস্য?
সে রহস্যের পর্দা উন্মোচন করতেই আমাদের এই বিশেষ লেখা। দেয়া হলো রসগোল্লা তৈরির সব চাইতে সহজ সেই সিক্রেট রেসিপি, যেটায় আপনার তৈরি রসগোল্লা হবে মিষ্টির দোকানের চাইতেও ভালো ও মজাদার। অনেকেরই ধারণা রসগোল্লা তৈরি করতে হয় একদম তাজা ছানা দিয়ে। জেনে রাখুন,এই তাজা ছানার কারণেই আপনার রসগোল্লা নিখুঁত হয় না একেবারেই!

rupcare_roshgolla2

উপকরণ-

রসগোল্লার ছানা ১ কাপ (নিচে ছানা তৈরির প্রনালি দেয়া আছে)
চিনি দেড় কাপ
পানি ছয় কাপ
ময়দা দুই চা চামচ
চিনি দুই চা চামচ
এলাচ গুঁড়া পৌনে এক চা চামচ
গোলাপজল এক-দুই চা চামচ (ইচ্ছা)

প্রণালি:
-রসগোল্লার ছানা তৈরি করে বাতাসে ছয়-সাত ঘণ্টা ছড়িয়ে রাখুন।
-চিনির সঙ্গে পানি দিয়ে চুলায় দিন। ফুটে ওঠার পর সিরার ওপর থেকে ময়লা তুলে ফেলুন। চুলার আঁচ কমিয়ে রাখুন।
-ছানা হাতের তালু দিয়ে মথে নিন। ময়দা, দুই চা চামচ চিনি ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে ছানা মথুন। ছানা ১৫ থেকে ২০ ভাগ করে গোল করে রাখুন।
-সব ছানার বল একবারে চুলার ওপর সিরায় ছাড়ুন। আঁচ বাড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ পর রসগোল্লা সিরার ওপর ভেসে উঠবে। বড় চামচ বা হাতা দিয়ে রসগোল্লা সিরায় ডুবিয়ে হাঁড়ি ঢেকে দিন।
-২০-২৫ মিনিট পর বাটিতে পানি নিয়ে একটি রসগোল্লা ছাড়ুন। পানিতে রসগোল্লা ডুবে গেলে এবং আকার ঠিক থাকলে চুলা থেকে নামিয়ে এক কাপ পানি ছিটিয়ে দিয়ে খোলা রাখুন।
-ঠান্ডা হলে সিরাসহ রসগোল্লা একটি বড় বাটিতে ঢালুন। এক-দুই চা চামচ গোলাপজল দিন। সাত-আট ঘণ্টা পর রসগোল্লা পরিবেশন করুন।
রসগোল্লার ছানা তৈরির উপকরণ-
টাকটা দুধ ১ লিটার, সিরকা ৪ টেবিল চামচ।
প্রনালি-
১) সিরকার সঙ্গে সমান পরিমাণ পানি মেশান।
২) দুধ চুলায় দিন। ফুটে উঠা মাত্রই সিরকা দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন। ঢেকে দিন।
৩) দুধের ছানা ও পানি আলাদা হলে সঙ্গে সঙ্গে দুধ একটি কাপড় বা ছাঁকনিতে ঢেলে নিন। ভালো করে কলের নিচে দিয়ে ধুয়ে নিন। এতে টক ভাব কম হবে ও ছানা ঠাণ্ডা হবে। এবার পানি ঝরতে দিন এক ঘণ্টা।
৪) এক ঘণ্টা পর প্লেটে ছড়িয়ে রাখুন ৫/৬ ঘণ্টার জন্য। তারপর রসগোল্লা তৈরি করুন।
তথ্যসূত্র: প্রিয় লাইফ

Tuesday, January 7, 2014

আপনার সৃষ্টি, ঘরের মিষ্টি

আপনার সৃষ্টি, ঘরের মিষ্টি

মিষ্টি খেতে কমবেশি সবাই ভালোবাসে। চাইলে ঘরে বসেই মিষ্টি বানাতে পারেন, সরবরাহ করতে পারেন দোকানে। ঘরোয়া বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও রয়েছে বাসায় বানানো মিষ্টির চাহিদা। জানাচ্ছেন আলমগীর কবীর


সব ধরনের মিষ্টিরই কমবেশি চাহিদা রয়েছে। প্রথমে ঠিক করতে হবে কোন ধরনের মিষ্টি আপনি বানাবেন। ঘরে বসেই রসগোল্লা, চমচম, রসমালাই, জিলাপি, সন্দেশ বানাতে পারেন। স্বল্প পরিসরে ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়েই শুরু করতে পারেন।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
মিষ্টি তৈরিতে লাগবে বড় কড়াই, গামলা, বড় চামচ, চিনি, ময়দা, দুধ ঘি। বাজার থেকে মিষ্টি তৈরির উপকরণগুলো কিনতে হবে। তবে উপকরণ কেনার বেলায় চোখ-কান খোলা রাখা জরুরি। ময়দা, দুধ, ঘি, চিনি যেন মানসম্মত হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
মিষ্টি বানানোর ব্যাকরণ
মিষ্টির মধ্যে রসগোল্লার বেশ চাহিদা রয়েছে। রসগোল্লা তৈরিতে লাগবে দুধ, সিরকা, সুজি, চিনি, পানি এলাচ। একটি পাত্রে দুধ জ্বাল দিন। দুধ যখন টগবগ করে ফুটতে থাকবে তখন সিরকা দিন এবং ভালোভাবে নাড়ুন। দুধ ছানা হয়ে গেলে ছাকনিতে ঢেলে ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর হাত দিয়ে চিপে ছানা থেকে পানি বের করুন। একটি পাত্রে ছানা, সুজি, চিনি বেকিং পাউডার ভালো করে মেখে নিন। ছানা দুই হাতের তালুতে ঘুরিয়ে গোল গোল করে রাখুন। পানি, চিনি এলাচ একসঙ্গে জ্বাল দিন।
ফুটন্ত পানিতে গোল গোল করে রাখা ছানাগুলো একে একে দিয়ে পাত্রটি ঢেকে রাখুন। কিছুক্ষণ পর তৈরি হবে রসগোল্লা। এভাবে সব ধরনের মিষ্টি বানানোর কায়দা জেনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন।
বাজারজাতকরণ
বাজারে ভেজালের ভিড়ে নিশ্চয় ঘরে বানানো মিষ্টির কদর থাকবে। সে ক্ষেত্রে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করাটা জরুরি।
পাড়া-প্রতিবেশীদের কাছে আশপাশের দোকানে মিষ্টি তৈরির ব্যাপারটি জানিয়ে রাখুন। প্রথমে প্রতিবেশীদের চাহিদামতো সরবরাহের ব্যবস্থা করুন। বিভিন্ন এলাকার খুচরা মিষ্টি বিক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। অগ্রিম অর্ডার নিয়ে রাখতে পারেন।
বানানো মিষ্টির ব্র্যান্ড
আপনার হাতে বানানো মিষ্টির শ্রুতিমধুর নামও দিতে পারেন। একসময় মিষ্টি নামকরা ব্র্যান্ডে পরিণত হতে পারে। পুঁজি বাড়িয়ে হাতের নাগালে মিষ্টির শোরুমও দিতে পারেন। এভাবেই মিষ্টির প্রচার প্রসার বাড়বে।
প্রশিক্ষণ দরকারি
মিষ্টি বানানোর বেলায় প্রশিক্ষণটা জরুরি। আশপাশে ভালো মিষ্টি বানায় এমন কোনো কারিগরের কাছ থেকে মিষ্টি বানানো শিখে নিন। আপনি চাইলে মিষ্টির জগতে নামডাক আছে রকম কোনো কম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কাছ থেকেও প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।

Monday, January 6, 2014

সন্দেশের রেসিপি (ভিডিও)

সন্দেশের রেসিপি (ভিডিও)  


Saturday, January 4, 2014

ঘরে বসে ইট এনজয় থেকে বগুড়ার দই কেনার সুযোগ

ঘরে বসে ইট এনজয় থেকে বগুড়ার দই কেনার সুযোগ

ইট এনজয় ডট কম.বিডি (http://www.eatenjoy.com.bd) দিচ্ছে বগুড়ার দই, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, টাঙ্গাইলের চমচম, চিটাগং এর অভিজাত রেস্টুরেন্ট এর স্পেশাল বিরিয়ানি, মিষ্টি ও চট্টগ্রামের অভিজাত রেস্টুরেন্ট এর সব ফাস্টফুড। বিকাশ বা ক্যাশ অন ডিলিভারীর মাধ্যমে আগ্রহীরা এগুলো অর্ডার করতে পারবে।
http://blog.comjagat.com/wp-content/uploads/2013/07/Eatnenjoy.jpg
চট্টগ্রামের এ প্রতিষ্টানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজিম চৌধুরী জানান, ফোনে (০৪৪৩৯-১২১২১২ অথবা ০১৮৫০-৪৪৪৩০০) কিংবা ওয়েব সাইটের(www.eatenjoy.com.bd) মাধ্যমে খুব সহজে অর্ডার করে ২-৩ ঘন্টার মধ্যে বাসায় কিংবা অফিসে হোমডেলিভারী গ্রহনের পর পেমেন্ট করা যায়। শুধুমাত্র ৩০ টাকা সার্ভিস চার্জ দিয়ে EatEnjoy এর সব সেবা গ্রহণ করা যাবে।

Source: http://blog.comjagat.com/

বনফুল মিষ্টির ওযেবসাইট: 
http://www.banofulgroup.com/

Monday, December 16, 2013

সুস্বাদু সব মিষ্টির রেসিপি

সুস্বাদু সব মিষ্টির রেসিপি


ক্ষীরকদম


উপকরণ : দুধ ১ লিটার, খোয়া ক্ষীর ৫০০ গ্রাম, চিনি ২ কাপ, গুঁড়ো চিনি আন্দাজ মতো, গুঁড়ো দুধ আন্দাজ মতো, লালা ফুড কালার সামান্য, ভিনিগার ২ টেবল-চামচ।

রসগোল্লা বানানোর প্রণালি : দুধ গরম করে ফুটে উঠলে তাতে এক থেকে দু’টেবল-চামচ ভিনিগার দিন দুধ কাটিয়ে ছানা তৈরি করে নিন। এ বার ওই ছানা একটা মসলিন অথবা সুতির কাপড়ে ঢেলে জলে ধুয়ে নিতে হবে যাতে ভিনিগারের গন্ধ আর টক ভাব না থাকে। এর পর পাতলা কাপড়ে বেঁধে টাঙ্গিয়ে রাখুন যাতে ছানা থেকে ভালো করে জল ঝরে যায়। এ বার আধা-চামচ ফুড কালার মিশিয়ে ছানা মসৃণ করে মাখতে হবে। মাখা ছানা দিয়ে এ বার ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন। একটা ঢাকা দেয়া পাত্রে এক কাপ চিনি আর তিন কাপ জল দিয়ে পাতলা করে চিনির রস বানিয়ে নিন। ছানার বলগুলো ফুটন্ত রসে ছেড়ে মাঝারি তাপমাত্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট ঢাকা দিয়ে রান্না করলে রসগোল্লা তৈরি হয়ে যাবে।

ক্ষীরকদম বানানোর প্রণালি : রসগোল্লা তুলে নিয়ে ওই রসে এক কাপ চিনি দিয়ে ফুটিয়ে রসটা ঘন করে নিন। রসগোল্লাগুলোকে রসে পাঁচ মিনিট ফুটিয়ে। আধা ঘণ্টা ঢাকনা দিয়ে রেখে দিন। রস থেকে তুলে একটা প্লেটে কিছু ক্ষণ রসগোল্লাগুলো রাখতে হবে যাতে বাড়তি রস ঝরে যায়। মেওয়া অথবা খোয়াতে ২ থেকে ৩ টেবল-চামচ গুঁড়ো চিনি মিশিয়ে মসৃণ করে মেখে নিতে হবে, যেন কোনো ডেলা না থাকে। এ বার প্রতিটা রসগোল্লা মেওয়া/খোয়া মাখিয়ে গোল করে নিতে হবে। এর পর গুঁড়ো দুধ মাখিয়ে এমনি বা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।

ক্ষীর কদম

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১ অক্টোবর ২০১৩
Manob_Kantha_logo

ছাঁচের সন্দেশ

[ ছয়জনের জন্য ]
উপকরণ : গুঁড়া দুধ দুই কাপ, ময়দা আধা কাপ, চালের গুঁড়া আধা কাপ, চিনি দেড় কাপ, পানি এক কাপ।

প্রণালি : পানি ও চিনি জ্বাল দিতে হবে। সিরা ঘন হয়ে এলে দুধ, ময়দা ও চালের গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে সিরার মধ্যে দিয়ে পাক দিতে হবে। এবার ছাঁচ দিয়ে ছাঁচের সন্দেশ বানাতে হবে।

ছাঁচের সন্দেশ
রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১২ এপ্রিল ২০১১
PALO


রসগোল্লা

উপকরণ : ছানা ৩ কাপ, ময়দা ১ কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ, সুজি ২ চা চামচ, চিনি ২ টেবিল চামচ, খাওয়ার সোডা ১ চিমটি, এলাচি গুঁড়া সামান্য।

সিরা তৈরি : ৫ কাপ চিনি ৫ কাপ পানি দিয়ে জ্বাল করে পাতলা সিরা তৈরি করে নিতে হবে।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. একটি ছড়ানো পাত্রে মুঠমুঠ করে ময়ান করা ছানা দিয়ে একে একে সব শুকনা উপকরণ ছড়িয়ে দিন।
২. হাতের তালু দিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে মেখে নিন।
৩. এবার হাতে তেল মেখে ছানার মিশ্রণকে গোল গোল মিষ্টি বানান।
৪. এবার পাতলা সিরায় মিষ্টি দিয়ে চুলার আচ বাড়িয়ে ঢেকে দিন।
৫. মিষ্টি যখন ফুলে দ্বিগুণ হয়ে যাবে, তখন চামচে করে গরম সিরার মধ্যে ঠাণ্ডা পানি মিলিয়ে দিন।
৬. মিষ্টি সেদ্ধ হলে নামিয়ে ৭-৮ ঘণ্টা সিরায় রেখে এরপর পরিবেশন করুন।

রসগোল্লা

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৮ এপ্রিল ২০১৩
logo_ KALER KANTHA.gif

লালমোহন

উপকরণ : গুঁড়াদুধ আধা কাপ, ময়দা এক কাপের ৪ ভাগের ১ ভাগ, বেকিং পাউডার ১ চা চামচ, ঘি ২ টেবিল চামচ, ফেটানো ডিম ২টি, চিনি ৩ কাপ, পানি ৫ কাপ, তেল ভাজার জন্য।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. ময়দা, বেকিং পাউডার, গুঁড়াদুধ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এর মধ্যে ১ টেবিল চামচ ঘি মিশিয়ে ভালো করে ময়দা ঝুরঝুরা করে নিন।
২. আলাদা পাত্রে ডিম ফেটিয়ে ময়দার মিশ্রণে পরিমাণমতো ডিম দিয়ে চামচের সাহায্যে মিশিয়ে দিন।
৩. এবার মিষ্টি রাখার পাত্রে এবং হাতেও ঘি মেখে নিন। পরিমাণমতো মিশ্রণ হাতে নিয়ে লালমোহনের আকারে বানান।
৪. চুলায় তেল প্রথমে গরম করে পরে ঠাণ্ডা করুন। তারপর ঐ তেলে মিষ্টি দিয়ে মৃদু আঁচ দিন।
৫. লালমোহনের রং লালচে হলে নামান।
৬.এবার চুলায় সিরা ফুটে উঠলে মিষ্টি দিয়ে ঢেকে দিন।
৭. ১৫ মিনিট পর ১ টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নামান।
৮.৩-৪ ঘণ্টা পর সিরা থেকে তুলে মাওয়া ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।

লালমোহন
রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৮ এপ্রিল ২০১৩

logo_ KALER KANTHA.gif

মালাইচপ

উপকরণ : স্পঞ্জ রসগোল্লা ১০টি, দুধ ১ লিটার, চিনি আধা কাপ, ঘি ১ টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করে এর মধ্যে চিনি দিন।
২. চিনি গলে গেলে একবার বলক তুলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন।
৩. আবার দুধ চুলায় দিয়ে সামান্য গরম হলে, গরম সিরা থেকে স্পঞ্জ রসগোল্লা তুলে চুলায় বসানো দুধে দিন।
৪. ঢাকনা খুলে জ্বাল দিন। দুধ ঘন হলে ১ টেবিল চামচ ঘি দিন।
৫. ৩ ঘণ্টা ফ্রিজের নরমাল তাপমাত্রায় রেখে তারপর পরিবেশন করুন।

মালাইচপ

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৮ এপ্রিল ২০১৩
logo_ KALER KANTHA.gif

স্পঞ্জ রসগোল্লা

উপকরণ : ছানা ১ কাপ, চিনি ৩ কাপ, পানি ৫ কাপ, দুধ ১ টেবিল চামচ।

যেভাবে তৈরি করবেন
১. চুলায় কড়াই দিয়ে পানি ও চিনি জ্বাল দিয়ে পাতলা সিরা করুন।
২. ছানা ময়ান করে গোল গোল মিষ্টি বানিয়ে বলকানো সিরায় দিয়ে আঁচ বাড়িয়ে ঢেকে ১৫ মিনিট জ্বাল দিন।
৩. ১৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলে ২-৩ মিনিট জ্বাল দিয়ে আধা কাপ ঠাণ্ডা পানি গরম সিরার মধ্যে ঢেলে দিন।
৫. মাঝেমাঝে নেড়ে দিন। মিষ্টি সেদ্ধ হয়ে যখন ডুবে থাকবে তখন নামিয়ে আন্দাজ মতো ঠাণ্ডা পানি আবার দিয়ে নেড়ে ৭-৮ ঘণ্টা এভাবে রেখে দিন। এরপর পরিবেশন করুন।

স্পঞ্জ রসগোল্লা
রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ৮ এপ্রিল ২০১৩

logo_ KALER KANTHA.gif


মুগডালের লাড্ডু

উপকরণ : মুগডাল ৫০০ গ্রাম, ঘি ১ কাপ, অ্যারাবিয়ান গাম ৫০ গ্রাম (মসলার দোকানে পাওয়া যাবে), সাদা তিল ২ টেবিল-চামচ, আইসিং সুগার ১ কাপ, কিশমিশ, পেস্তা ও কাঠবাদাম সব মিলিয়ে আধা কাপ।

প্রণালি : মুগডাল চুলার পাশে রেখে অথবা হালকা ভেজে নিয়ে পাটায় গুঁড়া করে চেলে নিতে হবে। এই ডাল আবার হাঁড়িতে বাদামি করে ভেজে ঠান্ডা করতে হবে। অ্যারাবিয়ান গাম ছোট ছোট টুকরা করে ভেঙে নিতে হবে। ২ টেবিল-চামচ ঘি গরম করে তাতে ১ টেবিল-চামচ অ্যারাবিয়ান গাম ছেড়ে ভাজতে হবে। এতে দেখা যাবে, গামগুলো পাঁপড়ের মতো ফুলে মচমচা হয়ে যাবে। এভাবে একটু একটু করে দিয়ে সব গাম ভেজে ঠান্ডা করতে হবে এবং আধা ভাঙা করে রাখতে হবে। কড়াইয়ে ২ টেবিল-চামচ ঘি দিয়ে কিশমিশ, পেস্তা, কাঠবাদাম ও তিল পর্যায়ক্রমে দিয়ে ভেজে তুলতে হবে। এবার ভাজা ডাল, অ্যারাবিয়ান গাম, বাদাম ও আইসিং সুগার একসঙ্গে একটি ছড়ানো পাত্রে মেশাতে হবে। একটু ঘি গরম করে তাওয়ার ওপর রাখতে হবে। সবশেষে এই ডাল ও বাদামের মিশ্রণ অল্প অল্প করে পরিমাণমতো গরম ঘি দিয়ে এমনভাবে মাখাতে হবে যেন ওই মিশ্রণ হাতে গোল করা যায়। তারপর লাড্ডু বানাতে হবে।

মুগডালের লাড্ডু

গুড়ের পানতোয়া

উপকরণ : ছানা ২ কাপ, ময়দা আধা কাপ, মাওয়া দেড় কাপ, গুড় ১ টেবিল চামচ, এলাচ গুঁড়া সামান্য, ঘি সোয়া ৩ টেবিল চামচ, খাবার সোডা আদা চা চামচ, তেল ভাজার জন্য।

প্রণালী : ছানা গ্রেট করে নিন। অন্য পাত্রে ঘি, ময়দা, সোডা, গুড়, এলাচ গুঁড়া একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার ছানার সঙ্গে মেখে গোল্লা বানিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন। ভাজা হলে নামিয়ে সঙ্গে সঙ্গে সিরায় ডুবিয়ে দিন। এভাবে কয়েক ঘণ্টা রাখুন।

সিরা : পানি ৪ কাপ, গুড় ২ কাপ। একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে সিরা করে নিন।

গুড়ের পানতোয়া

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১৬ অক্টোবর ২০১২

Manob_Kantha_logo


সন্দেশ বাহারি

উপকরণ : ছানা ২ কাপ, আইসিং সুগার ৪ কাপ, নলেন গুড় ৪ টেবিল চামচ, পেস্তাকুচি আধা চা চামচ, চেরি কুচি ১টি।

প্রণালী : ২ লিটার দুধ এক বলক এনে ১ কাপ পানি ও সিরকা একসঙ্গে মিশিয়ে দুধে ঢেলে ছানা বানিয়ে নিন। ছানার পানি ঝরিয়ে নিন। এবার কাঁচা ছানা ভালো করে মিশিয়ে তার সঙ্গে চিনি গোল বানিয়ে মাঝখানে গর্ত করে কয়েক ফোঁটা নলেন গুড় দিয়ে মুখ বন্ধ করে কোনা ডাইসের মধ্যে ভরে চাপ দিয়ে বের করে নিন। এরপর ওপরে বাদাম ও চেরি কুচি দিয়ে ডেকোরেশন করুন।

সন্দেশ বাহারি

রেসিপিটি প্রকাশিত হয় ১৬ অক্টোবর ২০১২

Manob_Kantha_logo

নানাপ্রকার চমচম রেসিপি

নানাপ্রকার চমচম রেসিপি


মজাদার মালাই চমচম বানাবেন যেভাবে


মিষ্টির দোকানে থরে থরে নানান রকম মিষ্টি সাজানো থাকে। মিষ্টির প্রতি দূর্বলতা থাকলে দোকানে আকর্ষনীয় ভাবে সাজানো এই মিষ্টিগুলোর আবেদন অগ্রাহ্য করা অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু বর্তমান সময়ে ভেজাল এবং দামের কারণে মিষ্টি কিনে খাওয়ার ইচ্ছা অনেকেরই চলে গিয়েছে। কেমন হতো যদি বাড়িতেই বানিয়ে ফেলা যেতো মজাদার এই মিষ্টিগুলো?

মিষ্টির দোকানে অন্যতম জনপ্রিয় ও আকর্ষনীয় একটি মিষ্টি হলো মালাই চমচম। খুব সহজেই বাড়িতেই বানানো যায় সুস্বাদু মিষ্টিটি। আসুন জেনে নেয়া যাক রেসিপিটি।


উপকরণ:
১ লিটার দুধের ছানা

১ লিটার দুধ ঘন করে বানানো ক্ষীর

চিনি ২ কাপ
পানি ৫ কাপ
খাবার রঙ ১/২ চা চামচ (ইচ্ছা)
পেস্তা কুচি ২ টেবিল চামচ
জাফরান (সামান্য)

প্রস্তুত প্রণালী:
প্রথমে দুধ ঘন করে সেটাকে ছানা বানিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।

এবারে ছানা টা হাতের তালু দিয়ে খুব ভাল করে চটকে নরম করে মেখে নিন।

এবার এর মধ্যে অল্প জাফরান এবং খাবার রঙ মিশিয়ে ভাল করে মেখে নিতে হবে।
এখন ছানার থেকে অল্প করে হাতের তালুতে নিয়ে গোল করে বলের মত আকৃতি দিতে হবে।
এরপর বলগুলোকে আঙ্গুল দিয়ে চেপে চমচমের আকারে একটু লম্বা ও চ্যাপ্টা করে আকৃতি দিয়ে নিতে হবে।
এবারে ২ কাপ চিনি আর ৪ কাপ পানি দিয়ে প্রেসার কুকারে ফুটতে দিতে হবে।
ফুটে উঠলে চমচম গুলো রসের মধ্যে ঢেলে দিতে হবে এবং প্রেসার কুকারের ঢাকা বন্ধ করে দিতে হবে। এরপর প্রেসার কুকারে একটি সিটি বেজে উঠলে ঢাকনা খুলে দিন।
এরপর চুলার জ্বাল কমিয়ে আরো ৭/৮ মিনিট রাখুন। এরপর চুলা বন্ধ করে প্রেসার কুকারটি ঠান্ডা পানির ওপর রাখুন অথবা বাতাসে রাখুন।
পাত্রে চমচম গুলো আলাদা করে তুলে রাখুন।
আগে থেকে বানিয়ে রাখা ক্ষীর চমচমের ওপরে ঢেলে দিন।
ওপরে পেস্তা কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করুন মজাদার মালাই চমচম।



 মুগ চমচম

উপকরণ : ভাজা মুগ ডাল ১ কাপ, ময়দা ১ কাপ, নারিকেল বাটা হাফ কাপ, চিনি ২ টেবিল চামচ, ঘি ৪-২ টেবিল চামচ, তেল ভাজার জন্য। পুরের জন্য কোরানো নারিকেল হাফ কাপ, চিনি হাফ কাপ। নারিকেল, চিনি একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে পুর তৈরি করে নিন।

সিরার জন্য : চিনি ২ কাপ, পানি ১ কাপ। একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিন।

প্রণালি : মুগ ডাল সিদ্ধ করে শুকনো করে বেটে নিন। ময়দা ও ঘি ময়ান করে বাটা মুগ ডাল ও সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে ঘণ্টাখানেক রেখে দিন। এবার খামির ১৮-২০ ভাগ করে গোল গোল করে বানিয়ে ভেতরে পুর ভরে মুখ বন্ধ করে ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে চিনির সিরায় ছেড়ে দিন। হয়ে গেলে ঠাণ্ডা করে পরিবেশন করুন।


ঘিয়ে ভাজা চমচম 

Sw_24